• রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
  • English English

নারী বিশ্বকাপের মূলপর্বে বাংলাদেশ

Rafee.Masud / ২২৫ Time View
Update : শনিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৫

ওয়েস্ট ইন্ডিজের জন্য সমীকরণ যে এত কঠিন ছিল তাদের ব্যাটিংয়ে সেভাবে তা বোঝাই যায়নি। একেবারে সাবলীল ব্যাটিংয়ে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান ক্যারিবীয় ব্যাটাররা। অধিনায়ক হেইলি ম্যাথিউস কিংবা শ্যানেল হেনরি সবার ব্যাটেই ছিল আত্ববিশ্বাসের ছোঁয়া।

কিন্তু শেষ পর্যন্ত হিসাবে একটু গোলমালই হয়ে গেল। সমীকরণ বলছিল, ১১তম ওভারের ৫ম বলে চার এবং ৬ষ্ঠ বলে ছক্কা হলেই কেবল বিশ্বকাপে যেত ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু ৫ম বলেই সরাসরি ছয় হাঁকানোর ফলে ম্যাচ জিতলেও মুহূর্তটা আর উইন্ডিজ নারীদের পক্ষে থাকেনি।

নেট রানরেটে এগিয়ে থেকে বাংলাদেশ চলে গেল নারী বিশ্বকাপের মূলপর্বে। এই ম্যাচের পর ওয়েস্ট ইন্ডিজ নারীদের নেট রানরেট হয়েছে +০.৬২৬। বাংলাদেশের নেট রান রেট +০.৬৩৯।

থাইল্যান্ডের দেওয়া ১৬৭ রানের টার্গেট ১০ দশমিক ৫ ওভারে শেষ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে দুর্দান্ত মারকুটে এই ব্যাটিংটাও এদিন কাজে লাগল না তাদের।

নিজেদের ম্যাচে বাংলাদেশ দিনের শুরুতে হেরে গিয়েছিল পাকিস্তানের কাছে। ৭ উইকেটে হার দেখতে হয়েছিল টাইগ্রেসদের। তারপরও আশার প্রদীপটা একেবারেই নিভে যায়নি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের নারীদের হার কিংবা নেট রানরেটে পিছিয়ে থাকা– এর যেকোনো একটি ঘটলেই জ্যোতির দল পৌঁছে যাবে বিশ্বকাপে– এটাই ছিল সমীকরণ।

সেই সমীকরণ বাংলাদেশ নিজেদের পক্ষে দেখতে শুরু করে থাইল্যান্ডের ব্যাটার নাত্তাখাম চাংথামের কল্যাণে। তার অসাধারণ এক ফিফটিতে ভর করে উইন্ডিজ নারীদের বিপক্ষে থাইল্যান্ডের স্কোর হয় ১৬৬। নেট রানরেট এগিয়ে নিতে হলে ক্যারিবীয়দের যা পেরোতে হবে ১০.১ ওভারেই! যা ছিল বেশ কঠিন। বাংলাদেশ আশা দেখে সেখান থেকেই।

থাইল্যান্ডের ইনিংস অবশ্য শেষ হতে পারত আরও অনেক আগেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজের নারীদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে একসময় ৮৫ রানেই ৭ উইকেট হারায় থাইল্যান্ড। চারে নামা চাংথাম একাই ছিলেন প্রাচীর হয়ে। খেলেন ৬৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস।

শেষদিকে থাই নারীদের আর কেউ দুই অঙ্কের ঘরে যেতে না পারলেও বলের পর বল খেলে গিয়েছেন চাংথাম, আর সেটাই বাংলাদেশের স্বপ্নটা উজ্জ্বল করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category